এই সব ভালো লাগে
- জীবনানন্দ দাশ
জানালার ফাঁক দিয়ে ভোরের সোনালি রোদ এসে
আমারে ঘুমাতে দেখে বিছানায়,—আমার কাতর চোখ, আমার বিমর্ষ ম্লান চুল –
এই নিয়ে খেলা করে: জানে সে যে বহুদিন আগে আমি করেছি কি ভুল
পৃথিবীর সবচেয়ে ক্ষমাহীন গাঢ় এক রূপসীর মুখ ভালোবেসে,
পউষের শেষ রাতে আজো আমি দেখি চেয়ে আবার সে আমাদের দেশে
ফিরে এল; রং তার কেমন তা জানে অই টসটসে ভিজে জামরুল,
নরম জামের মতো চুল তার, ঘুঘুর বুকের মতো অস্ফুট আঙুল; –
পউষের শেষ রাতে নিমপেঁচাটির সাথে আসে সে যে ভেসে
কবেকার মৃত কাক: পৃথিবীর পথে আজ নাই সে তো আর;
তবুও সে ম্লান জানালার পাশে উড়ে আসে নীরব সোহাগে
মলিন পাখনা তার খড়ের চালের হিম শিশিরে মাখায়;
তখন এ পৃথিবীতে কোনো পাখি জেগে এসে বসেনি শাখায়;
পৃথিবীও নাই আর; দাঁড়কাক একা — একা সারারাত জাগে;
কি বা হায়, আসে যায়, তারে যদি কোনোদিন না পাই আবার।
নিমপেঁচা তবু হাঁকে : ‘পাবে নাকো কোনোদিন, পাবে নাকো
কোনোদিন, পাবে নাকো কোনোদিন আর।’
প্রিয় কবি
অঞ্জন সরকার জিমি
অমিত চক্রবর্তী
অমিতাভ দাশ গুপ্ত
অশোক দেব
আন্দালীব
আবিদ আজাদ
আবুল হাসান
আল মাহমুদ
আলতাফ হোসেন
আহসান হাবীব
খোন্দকার আশরাফ হোসেন
জয় গোস্বামী
জীবনানন্দ দাশ
টোকন ঠাকুর
তানিম কবির
দীপন চক্রবর্তী
নবনীতা দেবসেন
নির্মলেন্দু গুন
নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
পূর্ণেন্দু পত্রী
ফয়সল রাব্বি
ফারাহ সাঈদ
বিনয় মজুমদার
বুদ্ধদেব বসু
ব্রাত্য রাইসু
ভাস্কর চক্রবর্তী
মজনু শাহ
মন্দাক্রান্তা সেন
মহাদেব সাহা
মাসুদ খান
মুহাম্মদ মরিয়ম
মৌ ভট্টাচার্য
রণজিৎ দাশ
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রিফাত হাসান
রুদ্র মুহাম্মদ শহিদুল্লাহ
শক্তি চট্টোপাধ্যায়
শঙ্খ ঘোষ
শহীদ কাদরী
শোয়েব শাদাব
শ্বেতা চক্রবর্তী
সমর সেন
সমুদ্র গুপ্ত
সরকার আমিন
সাইয়েদ জামিল
সিকদার আমিনুল হক
সুকান্ত ভট্টাচার্য
সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
সুনীল সাইফুল্লাহ
সুবোধ সরকার
সুমন রহমান
হুমায়ুন আজাদ
হুমায়ূন আহমেদ
হেলাল হাফিজ