.

প্রিয় কবি

অঞ্জন সরকার জিমি অমিত চক্রবর্তী অমিতাভ দাশ গুপ্ত অশোক দেব আন্দালীব আবিদ আজাদ আবুল হাসান আল মাহমুদ আলতাফ হোসেন আহসান হাবীব খোন্দকার আশরাফ হোসেন জয় গোস্বামী জীবনানন্দ দাশ টোকন ঠাকুর তানিম কবির দীপন চক্রবর্তী নবনীতা দেবসেন নির্মলেন্দু গুন নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী পূর্ণেন্দু পত্রী ফয়সল রাব্বি ফারাহ সাঈদ বিনয় মজুমদার বুদ্ধদেব বসু ব্রাত্য রাইসু ভাস্কর চক্রবর্তী মজনু শাহ মন্দাক্রান্তা সেন মহাদেব সাহা মাসুদ খান মুহাম্মদ মরিয়ম মৌ ভট্টাচার্য রণজিৎ দাশ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রিফাত হাসান রুদ্র মুহাম্মদ শহিদুল্লাহ শক্তি চট্টোপাধ্যায় শঙ্খ ঘোষ শহীদ কাদরী শোয়েব শাদাব শ্বেতা চক্রবর্তী সমর সেন সমুদ্র গুপ্ত সরকার আমিন সাইয়েদ জামিল সিকদার আমিনুল হক সুকান্ত ভট্টাচার্য সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় সুনীল সাইফুল্লাহ সুবোধ সরকার সুমন রহমান হুমায়ুন আজাদ হুমায়ূন আহমেদ হেলাল হাফিজ

(পরিশিষ্ট) পাতার পোশাক

(পরিশিষ্ট) পাতার পোশাক 
- জয় গোস্বামী 


ঐ যে প্রেমিক আর ঐ যে প্রেমিকা 
প্রচুর ঘুমের পিল ব্যাগে নিয়ে ঘুপচি মতন হোটেলে উঠছে 
ঐ যে যুবক আর ঐ যে যুবতী 
ফলিডল শিসি নিয়ে চুপচাপ দরজা দিচ্ছে ঘরে 
ঐ যে ছেলেটি আর ঐ যে মেয়েটি 
রেললাইনের ধারে, ঝোপে ঝাড়ে, দাঁড়িয়ে রয়েছে সন্ধ্যেবেলা
দূরে
লোকালের আলো 
আজ,কাল,পরশু,তরশু 
ওদের সবাইকে অপঘাতে মৃতরূপে খুঁজে পাওয়া যাবে। 
ওরাতো মাস্টার-ছাত্রী 
দেওর-বৌদি তো ওরা 
ওরাতো সুদূর সম্পর্কে ভাইবোন। 
লোকচক্ষু থেকে ওরা এই পথে বাইরে চলে এলো 
আসলে কখন যেন 
হোটেলের ভ্যাপসা ঘর,হাসপাতাল,মর্গ আর রেলখাল ছেড়ে
উঠে গিয়ে
আকাশের একটুখানি পরে বসতি তুলেছে।
হ্যাঁ, জবর দখল।
সেখানে মেঘের তৈরী গাছ
সেখানে হাওয়ায় তৈরী কুটির
সেখানে পাতা
শুধু পাতার পোশাক।
সেখানে এখন ছিন্ন ভিন্ন বৌটিকে ছবি এঁকে দিচ্ছে তার রেলেকাটা কিশোর প্রেমিক।
আঁচলে কষের রক্ত মুছিয়ে মেয়েটি বলছে - তাহলে,এবার একটা গান কর বটাই।
যুবকটি ছুঁয়ে ছুঁয়ে মুছে দিচ্ছে যুবতীর সারা গায়ে মর্গের সেলাই।
আরেক মাথা গরম কবি 
এই মর্ত্যমাঠ থেকে উপরে তাকিয়ে 
দেব-দেবীদের সঙ্গে সমানে হাঙ্গামা করছে। 
স্বর্গের এই জমিটুকু এক্ষুনি ওদের নামে লিখে দেওয়া চাই।
-------------